মিঠুনের খেলা অনিশ্চিত, দলে ফিরছেন মুমিনুল

মিঠুনের খেলা অনিশ্চিত, দলে ফিরছেন মুমিনুল

তৃতীয় ওয়ানডেতে মোহাম্মদ মিঠুনের খেলা অনিশ্চিত। তার পরিবর্তে সিরিজের শেষ ম্যাচে খেলতে ক্রাইস্টচার্চ থেকে ডানেডিনে যাচ্ছেন মুমিনুল হক সৌরভ।

সবশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপে খেলেছেন মুমিনুল। এরপর জাতীয় দল ৯টি ম্যাচ খেললেও দলের বাইরে ছিলেন সৌরভ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে থাকা মুমিনুলকে অবশেষে ফেরানো হল ওয়ানডে সিরিজে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুনের একাদশে জায়গা নিয়ে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল।

ইনজুরির কারণেই তাদের খেলার অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল।

হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন। আর পাঁজরের হাড়ের পুরনো ব্যথা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে মুশফিকুর রহিমের।

এশিয়া কাপে পাঁজরে ব্যথা নিয়ে খেলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। আর সেই পুরনো ব্যথা এবার বেড়েছে নিউজিল্যান্ড সফরে।

এর পর দুজনকে ৪৮ ঘণ্টার অবজারভেশনে রেখেছে টাইগার টিম ম্যানেজমেন্ট। আজ জানা গেছে, মি ডিপেন্ডেবল মুশফিকের খেলা নিশ্চিত থাকলেও মিঠুনের খেলা এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

অথচ সিরিজ হারার লড়াইয়ে সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যান মিঠুন। এ কারণে দুশ্চিন্তার কালো মেঘ যেন টাইগার শিবিরে আরও ঘনীভূত হলো।

ভালো খেলার প্রত্যাশায় কিউইদের মাটিতে পা রেখেছিলেন মাশরাফিরা।

প্রথম ম্যাচে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ। আশা ছিল দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়াবে টাইগাররা। কিন্তু আরও করুণ অবস্থায় ৮৩ বল আগে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে তারা।

লজ্জাজনক এ হারে এক ম্যাচ আগেই তিন ওয়ানডের সিরিজ হারল সফরকারীরা।

গত দুই ম্যাচে লিটন, তামিম, সৌম্য, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর কারও ব্যাট কথা বলেনি। একমাত্র ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে বাঘের গর্জন ছেড়েছে মিঠুন।

ব্যাক টু ব্যাক ফিফটি রয়েছে তার। প্রথম ম্যাচে ৯০ বলে করেন ৬২ রান। দ্বিতীয়টিও ৬৯ বলে সাত চার ও এক ছক্কায় ৫৭ রান করে বোল্ড হন মিঠুন।

সে কারণে ডুনেডিনে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য তৃতীয় ওয়ানডে মিঠুনবিহীন বাংলাদেশ দল অনেকটা ব্যাকফুটেই থাকবে।

মুশফিকের ইনজুরির বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খণ্ডকালীন ম্যানেজার খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘মুশফিকুর রহিমের পুরনো পাঁজরের ব্যথা বেড়ে গেছে। কিন্তু তার পরও তিনি উইকেটে রয়েছেন। আমরা তাকে ৪৮ ঘণ্টার অবজারভেশনে রেখেছি। এর পর সিদ্ধান্ত নেব।’

পাইলট বলেন, ‘সিঙ্গেল নেয়ার সময় হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েন মিঠুন। মুশফিকের মতো তাকেও ৪৮ ঘণ্টার অবজারবেশনে রেখেছি আমরা।’